• f
  • t
  • g+

পলাশবাড়ী

পলাশবাড়ীতে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে মৎস্য হ্যাচারী

জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা

আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ০৭ এপ্রিল ২০২১

কুমিল্লা প্রতিদিন :
  • পলাশবাড়ী সংবাদদাতা
image

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে নিয়মনীতি উপেক্ষা করে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে মৎস্য হ্যাচারী।

ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে প্রকৃত হ্যাচারী মালিকেরা।

তথ্যানুসন্ধানে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা ৫নং মহদীপুর ইউনিয়নের ছোট ভগবানপুর গ্রামে কুটিরঘাট ব্রীজ সংলগ্ন সদানন্দ চন্দ্রের পুত্র শৈলাস চন্দ্র ভাড়াকৃত জায়গায় লাইসেন্স বিহীন হ্যাচারী স্থাপন করে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসা করে আসছেন। একই ভাবে উপজেলার ৭নং পবনাপুর ইউনিয়নের ফকিরহাট নামক স্থানে সুমন ওরফে মনু মিয়া ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের চকচকা গ্রামের জনৈক সুমন ও মাসুদ মিয়া নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে শুধু মাত্র ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে আব্দুল্যা আল গালিব হ্যাচারী নামে ব্যবসা করে আসছেন। এতে করে লাইসেন্সধারী প্রকৃত ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন বলে জানা যায়।

এ ব্যাপারে শৈলাস চন্দ্রের সাথে মোবাইলে কথা হলে তিনি জানান,এখন বাহিরে আছি পরে কথা বলবো।

আব্দুল্যা আল গালিব হ্যাচারীর স্বত্বাধিকারী সুমন ও মাসুদ মিয়া বলেন আমার প্রয়োজনীয় অবকাঠামোসহ কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্বেও ৯-১০ মাস পূর্বে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেও এখন পর্যন্ত লাইসেন্স পাইনি।

এদিকে ৬নং বেতকাপা ইউনিয়নের ডাকেরপাড়া গ্রামের লাইসেন্সধারী মৎস্য হ্যাচারী ব্যবসায়ী সবুজ মিয়া বলেন সরকার আমাকে লাইসেন্স দিয়েছে কিন্তু অন্যরা পরিপত্রের ক্যাটাগরি ৩ অম্যান্য করে নিয়ম বহির্ভুতভাবে হ্যাচারী স্থাপন করায় আমরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার সরকার জানান,প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও কাগজপত্র ছাড়া হ্যাচারী স্থাপনের সুযোগ নেই,যারা হ্যাচারী স্থাপন করতে আগ্রহী তাদেরকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ লাইসেন্সের জন্য আমাদের দপ্তরে আবেদন করতে হবে।

এ ব্যাপারে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুদ দাইয়ান বলেন,অবৈধ ভাবে হ্যাচারী স্থাপন করলে ভ্রামমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানাসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।