• f
  • t
  • g+

বলিউডের চার প্লাস্টিক সুন্দরী

আপলোড : ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ মার্চ ২০২১

কুমিল্লা প্রতিদিন :
  • বিনোদন ডেস্ক॥
image

বিশ্বে যতগুলো ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি আছে এবং সে সব জায়গায় যত নারী তারকারা কাজ করেন, তাদের মধ্যে অন্যতম সুন্দরী বলিউডের অভিনেত্রীরা। যদিও এই সুন্দরীদের মধ্যেও এমন অনেকে আছেন, যাদের সৌন্দর্য ফেইক। অর্থাৎ, লাখ লাখ টাকা খরচা করে প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে তারা নিজেদের চেহারায় বদল এনেছেন, যোগ করেছেন বাড়তি সৌন্দর্য।

প্রথমে আসা যাক এই সময়ের হট সেনসেশন নায়িকা বাণী কাপুরের কথায়। রণবীর সিংয়ের বিপরীতে ‘বেফিকরে’ ছবিতে অভিনয়ের সময়ে প্রথম নজরে আসে তার ভোলবদলের কথা। ওই ছবিতে অভিনয় ভালোই করেছিলেন। জনপ্রিয়তা পেয়েছিল তার সাহসী দৃশ্যও। এরপর হৃত্বিক রোশ ও টাইগার শ্রফের সঙ্গে জুটি বেঁধে করলেন ‘ওয়ার’।

এই ছবিতে স্ক্রিনে অল্প থাকলেও বাণীর বিকিনি লুক আগুন ছড়িয়েছিল। তখনই নজরে আসে তার সুঠাম চেহারা। যেটা তিনি প্লাস্টিক সার্জারি করিয়ে পেয়েছেন। গোটা শরীরেই ভোলবদল। নাক বদল, ঠোঁট বদল। আরও উজ্জ্বল ত্বক। হেয়ার কাটেও নতুন কায়দা। সেই বাণী এখন বলিউডের হট ফেভারিট গার্ল।

এবার প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস। ‘আন্দাজ’ ছবি দিয়ে বলিউডে যাত্রা শুরু বলিউডের এই আন্তর্জাতিক তারকার। প্রিয়াঙ্কার আগের একটা ছবি সামনে রাখুন আর এখনকার একটা ছবি রাখুন। দেখবেন, কত অমিল। রং বদল, মুখের আকার বদল। সবই প্লাস্টিক সার্জারি বদৌলতে। যদিও প্রিয়াঙ্কা স্বীকার করেন না তার প্লাস্টিক সার্জারির কথা। যাহোক, প্রিয়াঙ্কার আজকের সাফল্য পুরোটাই তার কঠিন পরিশ্রমের জন্য, ভোলবদলের জন্য নয়।

এবার বলব ‘রব নে বানাদি জোড়ি’ খ্যাত আনুশকা শর্মার কথা। যিনি প্লাস্টিক সার্জারি করিয়ে শুধু নিজের ঠোঁটের আকার পরিবর্তন করেছেন। হয়েছেন কাটা ঠোঁটের মালিক। এই ঠোঁটকাটা লুক নিয়েই গত কয়েক বছর থরে তিনি একের পর এক ছবি করেছেন। চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন নানা চরিত্রে। এরপর আবার প্রযোজক হলেন, বিয়ে করলেন। সম্প্রতি মিষ্টি মেয়ের মাও হয়েছেন। তবে এসব মোটেই ঠোঁট কাটার জন্য নয়। বরং আনুশকার পরিশ্রমের মিষ্টি ফল।

আজকের এই সাহসী আনুশকারই নাকি শাহরুখ খানের বিপরীতে তার অভিষেক ছবি ‘রব নে বানাদি জোড়ি’ করতে গিয়ে হাত পা কেঁপে একেবারে যাচ্ছেতাই অবস্থা হয়েছিল। তবে ছবি শেষমেশ সুপারহিট হয়। প্রশংসায় ভাসেন আনুশকাও। এর পরই শুরু হল বলিউডে তার নতুন লড়াই। একের পর এক ছবি করলেন, প্রেম গুঞ্জনেও পড়লেন। তবে কিছুতেই ঠিক তারকা হওয়া আর হচ্ছিল না। হঠাৎ লিপ জব! মানে ওই ঠোঁটকাটা। আমির খানের বিপরীতে ‘পিকে’ ছবিতে আনুশকার এই ঠোঁটকাটা লুক দেখেই সবাই অবাক হয়েছিল।

শেষ করি শিল্পা শেঠিকে দিয়ে। ‘বাজিগর’, ‘ম্যায় খিলাড়ি তু আনাড়ি’, ‘আও পেয়ার কারে’র মতো ছবিগুলো ওই আগের রূপ নিয়েই অভিনয় করে যাচ্ছিলেন এই নায়িকা। তারপর হঠাৎই ভোলবদল। ‘ধাড়কান’ ছবি থেকে একেবারে মেকওভার। আগের শিল্পা গেলেন একেবারে বদলে। নাক হল উঁচু, গায়ের রং ঝকঝকে। অভিনয়েও আগের থেকে আরও পরিণত হলেন শিল্পা। কোথায় পেলেন এমন মোহনীয় রূপ। বুঝতে আর কারও বাকি রইল না যে তিনি প্লাস্টিক সার্জারি করিয়েছেন।

বর্তমানে সেই শিল্পা অভিনয় থেকে অনেক দূরে। তবে নিজের শরীরকে ধরে রেখেছেন আগের মতো করেই। কে বলবে শিল্পা ৪০ পেরিয়েছে! তার পাতলা মেদহীন কোমরে আজও ফিদা আঠারো থেকে আশি। কিন্তু মনে করে দেখুন, শাহরুখের সঙ্গে সেই ‘বাজিগর’ ছবিতে ঠিক কেমন ছিলেন শিল্পী? গায়ের রং ছিল শ্যামবর্ণা। নাক চ্যাপটা! না না বডি শেমিং নয়, বরং নিজেকে পাল্টে ফেলে শিল্পা মন কেড়ে নিয়েছেন সবার।